ইহুদীদের ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ ফিলোসফারদের একজন, যদি না সর্বশ্রেষ্ঠ হন – মুসা ইবন মাইমুন বা Maimonides (Moseh ben Maymon)। তিনি ‘ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন’। না, আসলে করেননি। স্পেইন থেকে মিশরে পালিয়ে গিয়ে নিজেকে ইহুদী ঘোষণা করেন। তার জীবনের শেষের দিকে ইসলামের একজন আলিম তাকে মুরতাদ বলে আখ্যায়িত করেন এবং এর জন্য কঠোরতম শাস্তি দাবী করেন। স্বাভাবিকভাবেই, এটি বাস্তবায়িত হওয়ার কথা ছিল কারণ সেটা মুসলিম সাম্রাজ্য। কিন্তু এমনই সময় ক্বাদি আল-ফাদিল আব্দুর রাহিম ইবন আলী, যিনি ইসলামের ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ ক্বাদিদের একজন এবং সালাহ আল-দ্বীন আয়্যুবীর প্রধানমন্ত্রী …
When all premises are true, the conclusion must be true = Deduction When all premises are true, the conclusion might be true = Induction ডিডাকশান খুবই রেয়ার আর এটা প্রায় কোথাও দেখবেন না, যেকোনো ফিল্ডের কথা বলছি। আর আমাদের ইন্টারেস্টে থাকা বিজ্ঞান চলে ইন্ডাকশান দ্বারা। এটা কেমন সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে? ইন্ডাকশান এর একটা সাধারণ উদাহরণ দেখি চলুনঃ Premise 1 বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ অশিক্ষিত Premise 2 আপনি বাংলাদেশে থাকেন Conclusion আপনি অশিক্ষিত হইল কিছু? খুব স্বাভাবিকভাবেই অনেকের এটা দেখে মাথা খারাপ হবে। কিন্ত…
আবুল হাসান আলী নাদউই গুরুত্বপূর্ণ একটা পয়েন্ট ধরেছেন। [1] যে সময় মুসলিম বিশ্বে কোলোনাইজেশন, শুরু হয়েছিল, ঠিক সেই সময় ‘আলিমদের উচিত ছিল ইংলিশ, ফ্রেঞ্চ, জার্মান আর ডাচ (উনার মতে এই চারটা) ভাষায় ইসলামের প্রত্যেক ফিল্ডের (একটা ‘ইত্যাদি’র সাথে দশটার নাম নিয়েছেন) বই লিখে উড়িয়ে ফেলা। সেরকম হলে তারা মুসলিমদের বোঝার জন্য যখন ইসলাম স্টাডি শুরু করতো, তখন মুসলিমদের লেখা বইয়ের উপর ভিত্তি করেই এগিয়ে যেত। নিজেদের থেকে গবেষণা করে সমস্যা সৃষ্টি করতো না। একটা ওরিয়েন্টালিস্টিক পরিবেশ সৃষ্টি হত না। কিন্তু আলেমসমাজ কি করেছেন? “এসব কাফিরদের ভাষায় আমরা লিখি ন…
বিজ্ঞান থেকে বেরিয়ে এই সিরিজের প্রথম পর্ব। ইতিহাসের প্রথম উপন্যাস [i] , ইবন তুফাইলের হাই ইবন ইয়াকযান [ii] – এবং ইংরেজি ভাষার প্রথম উপন্যাস, ড্যানিয়েল ডেফো এর রবিনসন ক্রুসো নিয়ে । প্রাথমিক তথ্য হল ড্যানিয়েল ডেফো যখন তার বইটি লিখছিলেন (১৭১৯), তখন ইবন তুফাইলের বই সমগ্র ইউরোপে বেস্টসেলার ছিল [iii] এবং (একাধিক) অনুবাদও হয়ে গিয়েছিল [iv] । প্রথমে দুই বইয়ে সিমিলারিটি দেখানো যাক। হাই আর ক্রুসো – দুইজনই প্রকৃতি জয় করে নেয়। ধীরে ধীরে নিজেদের সমস্যাগুলো সমাধান করে। শেষমেশ এক সময় গিয়ে দুইজনই ফিলোসফিকাল আর স্পিরিচুয়াল ব্যাপারে ভাবতে শুরু করে…
ইবন সিনার মূল ইন্টারেস্ট ছিল ফিলোসফিতে, তবে বেশি বিখ্যাত চিকিৎসা বিজ্ঞানের জন্য। তিনি বলেন, সাবজেক্ট হিসেবে মেডিসিন চয়েস এজন্য করেছিলেন যে, চিকিৎসা বিজ্ঞান তার কাছে অন্যান্য বিষয় থেকে অধিক সহজ লেগেছিল! [i] তার বই কানুন ফি আল-তিব্ব ৮০০ বছর ধরে সারা পৃথিবীর মেডিকাল টেক্সটবুক ছিল [ii] , যা প্রায় এক অলৌকিক ঘটনা।তার ব্যাপারে এম. গুলাম মুয়াযযাম বলেন, “It is difficult to write about Ibn Sina except in superlatives”। [iii] কিন্তু এখানে দর্শন নিয়েও কথা হবে না, মেডিসিন নিয়েও কথা হবে না। আলোচনা হবে ইবন সিনার ভূবিজ্ঞান নিয়ে। খুব স্বাভ…
ব্লগটি সদ্য উন্মোচিত হয়েছে। কিছু ত্রুটি থাকতে পারে, যা ইনশা আল্লাহ শীঘ্রই ঠিক করা হবে।
Social